Skip to main content

স্বাধীনতার অমৃত বাণী - শিপ্রা কর্মকার

 স্বাধীনতার নবঅরুণোদয়ে আজও দেশ অন্ধকার

এখনো ফুরালো না অসহায়ের আর্তনাদ হাহাকার ;
কতো শহীদের অকাল প্রাণে এসেছিল স্বাধীনতা
আশ্বাস বচন বদলে গিয়ে শুধু থাকলো হীনতা ।
এখনো নিদারুণ দারিদ্র্যে ঘরে থাকেনা অন্নকণা
ধুয়ে মুছে যায় বছর ফেরে প্লাবনে সাধের ঘরখানা ;
দেশবাসী সাজালো রক্তের বিনিময়ে রাজার আসন
শুধু নিয়মের বেড়াজালে দূর থেকে শোনে ভাষণ।
প্রতি পাঁচ বছর নতুন সাথী নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান
অঙ্গীকার দূরে ঠেলে নেতৃত্বের দূরত্বের সাবধানী বিধান;
একদিনে পতাকা উত্তোলনে স্মরণ শহীদদের জীবনদান
কতো ভেদাভেদ মানুষে মানুষে বিফলে সত্য সন্ধান !
নিশ্চিন্তে মুখে আর কবে আসবে সত্যি সুখের হাসি
হৃদয় মাঝে নীরবে আসবে শান্তি রাশি রাশি ;
গৃহ ছেড়ে পথে পথে আর কেউ না থাকে মলিন বেশে
স্বাধীনতার শান্তি বিতরণ যেন হয় আপামর নির্বিশেষে ।

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...