Skip to main content

এক টুকরো আলো দাও - প্রদীপ হাওলাদার

 আরো একটু আলোর বড়ো প্রয়োজন :

শুধু তারই অপেক্ষায় ব'সে আছি
বুকের মাঝে এখনো এক টুকরো ছায়া নিয়ে ----
ভোরের অন্ধকারে ভেসে ওঠা ওই একটা সূর্য
বড়োই অপারক
সে-ছায়া আলোয় ভ'রে দিতে ।
হৃৎপিণ্ডটা মাঝে মাঝে ফ্রিজ হ'য়ে আসে !!
তারুণ্যের স্পন্দনগুলো আর স্ফুলিঙ্গ ছড়ায় না ।
বুকের মাঝে তাই ব'য়ে চলে
কলঙ্কের শীতল শোণিত ধারা ----
সে-ধারায় ফোটে না পুণ্ডরীক ,
জাগে না সুপ্ত বীজ ,
পায় না প্রাণ অরণ্যের মর্মর-ধ্বনি ;
তাই
আর এক টুকরো আলোর বড়োই প্রয়োজন
বুকের এই ছোট্টো ছায়াটা আলোয় মুছে দিতে ।
বিপ্লব !
তুমি জাগো ----
জাগাও এই ম্রিয়মান সভ্যতাকে আরো একবার ,
আরো একটা রক্তাভ সূর্য নিয়ে এসো
ওই অন্ধকারাচ্ছন্ন পূর্বাকাশে ----
আরো একটু তেজি !! আরো একটু তাজা !!
দিগন্তের ওই সৌখিন নীলিমাটাকে
ভেঙে চুরমার ক'রে হে বিপ্লব !
আমাকে আরো একটু আলো দাও
বুকের যন্ত্রণাটাকে মুছে দিতে ।
যদি পারো
তোমাকে একটা বড়ো উপহার দেবো , বিপ্লব ,
"" স্বাধীনতা "" !!
আমার বুকের ছায়াটা আলোয় ভ'রে দিতে
ওই অন্ধকারাচ্ছন্ন পূর্বাকাশে
হে বিপ্লব ,
আরো একটা সূর্য ওঠাও ----
আরো একটা সূর্য ওঠাও ----
উত্তাপ এনে দাও আমার দেহে ,
নব জাগরণের উত্তাপ
নব স্ফুলিঙ্গের উত্তাপ
নব আন্দোলনের উত্তাপ
নব আনন্দের উত্তাপ
হে তারুণ্য :
আমাকে এক টুকরো আলো দাও ----
আর এক টুকরো আলো দাও ----
আর এক টুকরো আলো দাও

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...