Skip to main content

স্বাদ হীনতা - সোমনাথ সিংহ রায়

 ফাটা প্যান্টের ফুটো পকেট দিয়ে পয়সা গলে যায় ভগবানের। পকেটেরই বা দোষ কোথায়?

ফেলে যাওয়া তেরাঙ্গার ফালি দিয়ে তাপ্পি দেওয়া!!
আনকোরা কাপড়ে বানানো পতাকা তোলা হবে
স্বাধীনতার পূর্ব থেকে আজ অবধি পরাধীনতার পক্ষে যে লোকটা তার হাত দিয়ে!
পাড়ায় পাড়ায় মোড়ে মোড়ে 'সারে জাঁহাসে আচ্ছা'--------------সঙ্গে দলীয় নেতা-নেত্রীর
মালা শোভিত ফটো!!!
সবার মুখ মাস্কে ঢাকা। চলছে ভার্চুয়াল বক্তিমে! লাইভ শ্রোতা একজনই, ভগবান দাস
ছেঁড়া পকেট সামলে উলঙ্গ মুখে স্বাধীনতা পূজোর প্যাকেটের লুচি আলুরদম পরম তৃপ্তিতে গুঁজে দিতে দিতে পাঁচিলে গায়ে লটকানো রাফালের গা ঘেঁষে
নিন্মাঙ্গের বেগ কোন রকমে সামলে নিলো।
ইশ্বরীকে করোনা ছোঁয়ার অনেক আগেই দাদার স্নেহের ভাইয়েরা ছুঁলো!?
বাপের চায়ের দোকানে উদয় অস্ত পরিশ্রমের
পরেও, শরীরটা হিলহিল করে লাউডগার মতো বেড়ে উঠছিলো ফ্রকের ঘেরাটোপকে হার মানিয়ে!!
কৌমার্য মাখানো কোমল মুখটাও নজরে পড়ে গেল আবাগীর ব্যাটাদের, গত বছর এই দিনে!
বাপটাও পয়সা খেয়ে চেপে গেল।
আর করবেটাই বা কি? ওদের ওনেক খ্যামতা!!! দোকানটা তুলে দিতো নয়তো, লাশ হয়ে যেতো
বেবুশ্যে বনে যাওয়া ইশ্বরীর পানচিবানো রক্তিম ঠোঁট উগরে দিলো একগাল পিক
ফেলে যাওয়া স্বাধীনতা ওয়ালাদের বাসি ফুল মালার উপর আর-----
হ্যাঁচকা টানে বাঁশ থেকে পতাকাটা খুলে নিয়ে আচ্ছা করে বুকের অনাবৃত অংশে চেপে ধরে
শালা স্বাধীনতা মাইরি!!!
মাইকে এখনো বাজছে 'সাথে জাঁহাসে আচ্ছা!'
আসছে বছর প্লাটিনাম জুবিলী!!

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...