ফাটা প্যান্টের ফুটো পকেট দিয়ে পয়সা গলে যায় ভগবানের। পকেটেরই বা দোষ কোথায়?
ফেলে যাওয়া তেরাঙ্গার ফালি দিয়ে তাপ্পি দেওয়া!!
আনকোরা কাপড়ে বানানো পতাকা তোলা হবে
স্বাধীনতার পূর্ব থেকে আজ অবধি পরাধীনতার পক্ষে যে লোকটা তার হাত দিয়ে!
পাড়ায় পাড়ায় মোড়ে মোড়ে 'সারে জাঁহাসে আচ্ছা'--------------সঙ্গে দলীয় নেতা-নেত্রীর
মালা শোভিত ফটো!!!
সবার মুখ মাস্কে ঢাকা। চলছে ভার্চুয়াল বক্তিমে! লাইভ শ্রোতা একজনই, ভগবান দাস
ছেঁড়া পকেট সামলে উলঙ্গ মুখে স্বাধীনতা পূজোর প্যাকেটের লুচি আলুরদম পরম তৃপ্তিতে গুঁজে দিতে দিতে পাঁচিলে গায়ে লটকানো রাফালের গা ঘেঁষে
নিন্মাঙ্গের বেগ কোন রকমে সামলে নিলো।
ইশ্বরীকে করোনা ছোঁয়ার অনেক আগেই দাদার স্নেহের ভাইয়েরা ছুঁলো!?
বাপের চায়ের দোকানে উদয় অস্ত পরিশ্রমের
পরেও, শরীরটা হিলহিল করে লাউডগার মতো বেড়ে উঠছিলো ফ্রকের ঘেরাটোপকে হার মানিয়ে!!
কৌমার্য মাখানো কোমল মুখটাও নজরে পড়ে গেল আবাগীর ব্যাটাদের, গত বছর এই দিনে!
বাপটাও পয়সা খেয়ে চেপে গেল।
আর করবেটাই বা কি? ওদের ওনেক খ্যামতা!!! দোকানটা তুলে দিতো নয়তো, লাশ হয়ে যেতো
বেবুশ্যে বনে যাওয়া ইশ্বরীর পানচিবানো রক্তিম ঠোঁট উগরে দিলো একগাল পিক
ফেলে যাওয়া স্বাধীনতা ওয়ালাদের বাসি ফুল মালার উপর আর-----
হ্যাঁচকা টানে বাঁশ থেকে পতাকাটা খুলে নিয়ে আচ্ছা করে বুকের অনাবৃত অংশে চেপে ধরে
শালা স্বাধীনতা মাইরি!!!
মাইকে এখনো বাজছে 'সাথে জাঁহাসে আচ্ছা!'
আসছে বছর প্লাটিনাম জুবিলী!!
Comments
Post a Comment