Skip to main content

স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলেছি - বিশ্বজিৎ মেটে

 লোভ লালসার জালে পড়ে আমরা আজ স্বাধীনতাকে হারিয়ে ফেলেছি..

ক্ষ্যাপা কুকুরের মতো ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছি সমাজের নমনীয় মাংস,
আর রক্তের স্রোতে ভেসে চলেছে সামাজিক কার্যকলাপ।
স্বাধীনতার এতো গুলো বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরে মা, বোনদের ধর্ষিতা হতে হয়!
বেঁচে থাকতে হলে পাড়ার মোড়ে মোড়ে রাজনীতির বিজ্ঞাপন দিতে হয়,
হিংসা, বিদ্বেষ আমাদের এখন প্রধান অস্ত্র,
সুচরিত্রের দাগ টেনে নিজেরাই নগ্ন করছি দেশের পতাকা।
স্বাধীনতাকে উপভোগ করতে করতে ভুলে গেছি আধুনিক কর্মকাণ্ড!
আর মৃত্যুর হাতছানি হাতের মুঠোয়।
আমরা স্বাধীনতা লাভ করেও নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যের বাসভবনে বুলডোজার চালিয়ে দিতে দিতে পারি..
কিংবা অন্যের বেঁচে থাকার লড়াইয়ে বারুদের স্তুপ নামিয়ে আগুন লাগিয়ে দিতে পারি।
চোখ কান খুলে চারদিকে তাকালে দেখা যায় ভয়াবহ অগ্নিগোলক।
বেঁচে থাকার অধিকার সবার জেনেও আমরা রোজ কতো অসহায় পশু পাখিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছি।
হাজারো মানুষের মুখের ভাত কেড়ে নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দিচ্ছে আমি দেশকে ভালোবাসি!!
সীমান্ত রেখায় যারা দেশের জন্য লড়াই করছেন তাদের কি কোনোদিন যোগ্য সম্মান দিতে পেরেছি??
যারা দেশের জন্য রক্তাক্ত হয়েও দেশকে স্বাধীন করেছিলেন তাদের কে আমরা ভুলে গেছি!!
স্বাধীনতার ৭৪ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও মানুষের চাওয়া পাওয়া অপূর্ণ,
অল্পতে খুশি কে কবে হয়েছেন?
হারিয়ে যাওয়া স্বাধীনতা ফিরে পেতে চাই,
ফিরে পেতে চাই সেই সমস্ত নীতিবাক্য মানুষদের।
শরীরের তাজা রক্ত উষ্ণ রেখে ভালোবাসা ছড়িয়ে নতুন স্বপ্নের দেশ গড়ার শপথ নিতে হবে..
তখনই স্লোগান দেব আমরা স্বাধীন, আমরা স্বাধীন...

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...