Skip to main content

নতুন পৃথিবী, পার্থদীপ সমাজদার

স্তব্ধ পৃথিবী, রুদ্ধ হয়েছে যানবাহন
কমেছে মানুষের ফুর্তির পার্টিবাজ,
স্বেচ্ছা বন্দী মানুষ আজ৷
থেমেছে চুরি ডাকাতি এই সভ্যতায়
থেমেছে হিংসার আক্রোশ মানুষের,
একাকীত্ব শিখালো বাঁচতে আজ৷
মানব মনের গহীন বনে ওঠা
আত্ম অহংকারে গড়া লালসা,
ফিরেছে নিজের কাছে;
নিজের হাতে তৈরী নিজের মারণ
ফাঁদে নিস্তব্ধ এই সভ্যতা,
ফিরছে নিজের কাছে৷
চেয়ে দেখ আকাশ হয়েছে কত নির্মল
দৃশ্য মান্যতা বেড়েছে দেখ অনেক,
শান্ত হয়েছে প্রকৃ়তি যেন আজ;
আজ আর ব্যস্ততা নেই কারও মনে
ছিল যারা দূরে পরিবারের লোকজন
মনের কথা বলছে কত আজ৷
কমেছে দূষণ অসুখ আকাশে বাতাসে
কার্বোন মনো অক্সাইড কমেছে বাতাসে,
নেই শব্দ তাণ্ডব বাতাসে;
এক নতুন সজীবতা যেন দিয়েছে
এই পৃথিবীকে চীনা মেড করোনা,
সে নিয়েছে অনেক দিয়েছে বেশ৷
ভুলে গেছিল যে পরিযায়ী পাখিদের দল,
নতুন করে তারা করে কোলাহল
স্নিগ্ধ শান্ত নির্মল ভারতের বুকে,
করোনা যেন নতুন জন্ম দিল পৃথিবীর
যুদ্ধের রণ বাদ্যহীন, অস্ত্রের ঝংকার হীন
নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন এঁকে৷
শান্ত হয়েছে হিমবাহগুলি, দূষণহীন পর্বত
একাকীত্বের পথে বাড়িয়ে পা এ সভ্যতা,
শিখেছে নিজে বাঁচত আর মানুষ বাঁচাতে ,
শিখছে ধর্ম নয় বর্ণ নয়, মানবতাই
মানুষ করেছে মানুষকে, সভ্যতাকে;
নিদেকে নতুন করে বাঁচার আনন্দে৷

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...