Skip to main content

অন্তর দেবতা - অজয় চক্রবর্তী

যতই তোমাকে পাই হে ঠাকুর পাওয়ার সাধ যে বাড়ে,
তুমি ছাড়া ওগো আর কেউ নেই অসহায় অন্তরে।
সুখে তুমি থাকো, দুখে তুমি থাকো, ভাবনায় থাকো প্রাণে,
সান্ত্বনা দেয় তোমার বাণী রোগে, শোকে, অভিমানে।
পাষাণ দেবতা নওতো তুমি ডাকলে তোমাকে পাই,
চেতনার রঙে রাঙাও ঠাকুর তুমি ছাড়া কেউ নাই।
প্রতিষ্ঠা করেছি তোমাকে আমার হৃদয়ের মন্দিরে,
অভিজ্ঞতায় পূর্ণ করেছো ভিতরে আর বাহিরে।
তোমাকে স্মরণ না করে ঠাকুর দিনতো যায়না ভালো,
তুমি আছো তাই জ্বলে ওঠে যেন আঁধার জীবনে আলো।
তোমার বাণী প্রেরণা জাগায় হতাশায় হাহাকারে,
তোমার বাণী বাঁচতে শেখায় দুঃখের কারাগারে।
জীবনের যত দূর্বিপাকে ভাঙলো হৃদয় ঝড়ে,
তোমার লেখনী বাঁচতে শেখায় আবার নতুন করে।
তুমি আছো তাই সব ভয় যেন জয় করি সহজেই,
তোমারই প্রেরণা দুর্ভাবনা ঘুচায় এক নিমেষেই।
জীবন দেবতা আছো সর্বদা অনাথের হয়ে নাথ,
কেমনে তোমাকে ভুলে থাকি বলো ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ!
এমনি করেই থেকো তুমি সাথে জীবনের প্রতিক্ষণে,
তোমাকে স্মরণ করে হে ঠাকুর শান্তি পাই যে মনে।

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...