Skip to main content

আষাঢ় এলো দ্বারে - দীপক পাল

Poet - Dipak Pal
 এসেছে আষাঢ়         সাজিয়ে পসার
            ভরেছে বৃষ্টির ডালা।
মাঠ ঘাট আজি       ভরে গেছে সবি
            ভরে গেছে নদী নালা।।
ঝির ঝির  করে        বৃষ্টি যে ঝরে
              হলো আজ দুই দিন।
চাতক পাখি           করে ডাকা ডাকি
         নাচিছে তা ধিন্ ধিন্।
মনের হরষে         মাটির পরষে
         মাঠে চাষি করে চাষ।
মাছ গুলি জলে      এঁকে বেঁকে চলে
       পুকুরে চড়িছে হাঁস।।
নীড় হারা পাখি     করে ডাকাডাকি
       কোথা ভেসে গেছে ছানা।
কেমন করে         যাবে সে উড়ে
      বৃষ্টি ভেজা তার ডানা।।
চারিদিকে জল             করে টলমল 
                ঝরে  বৃষ্টি অবিরাম 
গর্জে আকাশ             মৃদু বয় বাতাস
       ভেসে আসে রামনাম।
নাওয়া খাওয়া ভুলে     মাছ ধরে জেলে।
           নদীতেই আজি বাস।
ভুলে গেছে মন       ভাবে আপনজন
          নেই তার অবকাশ।।
সন্ধ্যা নামে            বৃষ্টি থামে
     মেঘ গুলি গেছে কেটে।
প্রদীপ জ্বালিয়ে     শঙ্খ বাজিয়ে
           চাঁদ মামা দেখি ওঠে।।
গাছ গুলি হাসে      যেন চারিপাশে
     ফিরে পেল বুঝি প্রাণ ।
কুকুরেরা  বসে    মণ্ডপের পাসে
       ব্যাঙেরা ধরেছে গান।।
প্রকৃতির শোভা    ছড়িয়েছে আভা
        জোনাকিরা দেয় আলো।
  প্রকৃতির প্রেমে    পড়েছি যে নেমে
        কি করে না বাসি ভালো।।

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...