Skip to main content

বুলবুল - আব্দুস সালাম দৌলতী

বুলবুল
  - আব্দুস সালাম দৌলতী
আব্দুস সালাম দৌলতী

হারিয়ে সাথী দিবা রাতি খুঁজি সে বুলবুল?
আজ একেলা মন উতলা খুঁজে ফিরি তোমারই তুল।
ঘুমের মাঝে কানে বাজে শিকল ভাঙা সেই গান,
বিশের বাঁশী সর্বনাশী হৃদে তোলে ঝড় তুফান।

গানের পাখি দিয়ে ফাঁকি অচিনপূরে গড়লে নিবাস
মনের মাঝে সে সূর বাজে দিন হপ্তা বারোমাস।
এসো ফিরে কুট্টিত দুয়ারে মজলুম করে ফরিয়াদ
বিদ্রোহী তুমি কাঁপিয়ে ভূমি ছিনে আনো মসনদ।

বদ্ধ ঘরে বদ্ধ জাতী ঘুমিয়ে আছে নেশায় মাতি
আচ্ছা করে চাবুক মেরে জাগিয়ে তোলো এই রাতি।
তপ্ত বুলেট? তবু নহে হেট, চির উন্নত শির-
কলম যুদ্ধ! করেছে তব্ধ, ভেঙেছে ওদের স্বপ্ননীড়।

জেল জুলুম হুলিয়া দিয়েছো দুরে ঠেলিয়া, তবু নেই শঙ্কা,
মিথ্যা তাড়াতে সত্যের পথে বাজিয়েছো রণ ডঙ্কা।
ওহে বুলবুল গাহ অনুকুল নব জোয়ারের গান
উঠুক জেগে বিদ্যুৎ বেগে, এই বিশ্বভরা প্রাণ।

এ ধরাতে আবার বাজুক শেকল ভাঙার গান
নার্গিস ফুলের সৌরভে খুঁজি মানবতার পীঠ স্থান।

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...