বাড়ির কাজের জন্য দেরী হয়ে যাওয়ায় শেষ বাসে দিদির বাড়ি যাচ্ছি ।যখন নিশিপুর স্টপেজে নামলাম তখন প্রায় রাত্রি ১২টা বেজে গেছে।জনশূন্য নিঝুম রাত।ঘুটঘুটে অন্ধকার ।বাস থেকে নেমে মেটো পথে হেঁটে চলেছি ।রাতের ঝিঁ ঝিঁ পোকা আর শেয়ালের ডাকে ভয় লাগছিল ।যেতে যেতে একটি শ্মশানঘাট পাড় হচ্ছি।বুকটা দুরদুর করছে ।হঠাৎ কানে একটা আওয়াজ এলো " আমাকে বাঁচাও,আমাকে বাঁচাও "।শব্দটা কানে আসতেই আমি চমকে গেলাম ।মনে হলো শ্মশানের দিক থেকেই যেন আওয়াজটা আসছে ।একটু দাঁড়িয়ে ভালো করে শুনলাম।কিন্তু সেই একই আওয়াজ " আমাকে বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও "।এবার আমি তো ভয়ে আধমরা হয়ে গেছি ।এত রাতে এই শ্মশানে আর কে ডাকবে, নিশ্চয়ই ভূত।পুকুরের ওপার থেকে আলোর আভাসে দেখি সে এক অদ্ভুত দৃশ্য ।সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক গলাকাটা লাশ ।দেখেই আমি মারলাম সজোরে দৌড়।এক দৌড়ে একেবারে দিদির বাড়ির সামনে ।
তড়িঘড়ি করে দিদির বাড়ির দরজায় টোকা মারলাম।কিছুক্ষণ পর ভিতর থেকে জামাইবাবু বেড়িয়ে এলো ।আমায় জিজ্ঞাসা করলো," কী ব্যাপার, এত রাতে?"।আমি বললাম, " শেষ বাসটা খুব দেরি করেছ,তাই "। ভিতরে যেতেই আমার কম্পিত স্বর শুনে দিদি জিজ্ঞাসা করলো, " তোকে এত ভীতগ্রস্ত ,অন্যমনস্ক লাগছে কেন?"। আমি বললাম, " এক গ্লাস দে,সব বলছি "। দিদির হাত থেকে জলের গ্লাস নিয়ে জল খেলাম।দিদি বলল, " এবার বল,কী হয়েছে "। আমি ভয়ে ভয়ে বললাম, " তোমাদের ওই রাস্তার শ্মশানঘাটে আমি দেখলাম একটা গলাকাটা লাশ "। জামাইবাবু তো হেসেই উড়িয়ে দিলেন ।বললেন, " চলো,দেখাতে পারবে তো?"। আমি বললাম, " দেখেছি তো পারবো না কেন?,চলুন "। আমার কথায় জামাইবাবু পাড়ার কয়েকজন লোককে নিয়ে আমার সঙ্গে গেলো ।আমি ওখানে গিয়ে দূর থেকে ভয়ে বললাম, " ওই দেখুন,গলাকাটা লাশ "। জামাইবাবু দেখলেন এবং শুনলেন সেই ডাক " আমাকে বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও "।
জামাইবাবু ধীরে ধীরে গেলো এবং এক বুড়িমাকে নিয়ে এসে আমায় বলল, " এই দেখো ,তোমার গলাকাটা লাশ "। আমি বললাম, " এতো এক বুড়িমা, গলাকাটা লাশ তো ওখানে "। জামাইবাবু বললেন, " আসলে এই বুড়িমার কাপড় ওই লাশের পায়ে আটকে গিয়েছিল ।তাই বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল "। আমি বললাম, " তাহলে ওই গলাকাটা লাশটা?"। জামাইবাবু বললেন, " ওটা গলাকাটা লাশ নয়।গতকাল এখানে গলাকাটা মা শ্মশান কালীর পূজা হয়েছে ।ভাসান হয়নি ।এটা গলাকাটা মা শ্মশান কালী"। আমি কাছে গিয়ে দেখি সত্যিই তাই ।মা কালীকে প্রণাম করে যেন প্রাণ ফিরে পেলাম ।
তড়িঘড়ি করে দিদির বাড়ির দরজায় টোকা মারলাম।কিছুক্ষণ পর ভিতর থেকে জামাইবাবু বেড়িয়ে এলো ।আমায় জিজ্ঞাসা করলো," কী ব্যাপার, এত রাতে?"।আমি বললাম, " শেষ বাসটা খুব দেরি করেছ,তাই "। ভিতরে যেতেই আমার কম্পিত স্বর শুনে দিদি জিজ্ঞাসা করলো, " তোকে এত ভীতগ্রস্ত ,অন্যমনস্ক লাগছে কেন?"। আমি বললাম, " এক গ্লাস দে,সব বলছি "। দিদির হাত থেকে জলের গ্লাস নিয়ে জল খেলাম।দিদি বলল, " এবার বল,কী হয়েছে "। আমি ভয়ে ভয়ে বললাম, " তোমাদের ওই রাস্তার শ্মশানঘাটে আমি দেখলাম একটা গলাকাটা লাশ "। জামাইবাবু তো হেসেই উড়িয়ে দিলেন ।বললেন, " চলো,দেখাতে পারবে তো?"। আমি বললাম, " দেখেছি তো পারবো না কেন?,চলুন "। আমার কথায় জামাইবাবু পাড়ার কয়েকজন লোককে নিয়ে আমার সঙ্গে গেলো ।আমি ওখানে গিয়ে দূর থেকে ভয়ে বললাম, " ওই দেখুন,গলাকাটা লাশ "। জামাইবাবু দেখলেন এবং শুনলেন সেই ডাক " আমাকে বাঁচাও, আমাকে বাঁচাও "।
জামাইবাবু ধীরে ধীরে গেলো এবং এক বুড়িমাকে নিয়ে এসে আমায় বলল, " এই দেখো ,তোমার গলাকাটা লাশ "। আমি বললাম, " এতো এক বুড়িমা, গলাকাটা লাশ তো ওখানে "। জামাইবাবু বললেন, " আসলে এই বুড়িমার কাপড় ওই লাশের পায়ে আটকে গিয়েছিল ।তাই বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিল "। আমি বললাম, " তাহলে ওই গলাকাটা লাশটা?"। জামাইবাবু বললেন, " ওটা গলাকাটা লাশ নয়।গতকাল এখানে গলাকাটা মা শ্মশান কালীর পূজা হয়েছে ।ভাসান হয়নি ।এটা গলাকাটা মা শ্মশান কালী"। আমি কাছে গিয়ে দেখি সত্যিই তাই ।মা কালীকে প্রণাম করে যেন প্রাণ ফিরে পেলাম ।
Sundor
ReplyDelete