Skip to main content

বৃষ্টি ভেজা সেই দুপুরে , কলমে - দলছুট পাখি

## বৃষ্টি ভেজা সেই দুপুরে ##
......দলছুট পাখি

তুমি যখন খবর দিলে মেঘ করেছে আকাশ জুড়ে
আমি তখন বৃষ্টি ভিজে ফিরছি একা ঠিক দুপুরে ।

গুনগুনিয়ে গাইছিল মন
জৈষ্ঠ্যে নামুক অকাল শ্রাবণ
তোমার আমার শরীর জুড়ে
প্লাবন আসুক ঠিক দুপুরে ।

হাত বাড়িয়ে বৃষ্টি ছাটে পুড়ছিল মন তখন দুপুর
দেখব তোমায় দূরের থেকে বৃষ্টি পায়ে ছন্দ নুপূর।

এমন ক্ষনের না হয় শেষ
বৃষ্টি মাখা স্নিগ্ধ আবেশ
আলতো হেসে এই দুপুরে
ঝড় ওঠে বা এই নুপূরে !

মাতাল ঝড় ধেয়ে এল সঙ্গে গভীর বাজের আওয়াজ
হঠাৎ করে পড়লো জোড়ে, ধুইয়ে দিল বৃষ্টির সাজ ।

তোমার কাছে আসবো বলে
ছিলাম তখন আমায় ভুলে
জড়িয়ে নিল বাজের আওয়াজ
মেঘলা বেলার বৃষ্টির সাজ ।

কিসের এত চেঁচামেচি  কিসের এত কোলাহল ?
তোমার কাছেই এইতো আমি কেন তবে চোখে জল?

বৃষ্টি সাজে সাজিয়ে দিয়ে
আমায় কোথায় যাচ্ছ নিয়ে ?
কেন সবার এত কৌতূহল ?
তোমার চোখে শ্রাবণ জল !

আসবো আবার বৃষ্টি হলে তোমার উঠোন জুড়ে
ছন্দে নূপুর বাজবে পায়ে মেঘলা দিনে সেই দুপুরে ।

বাসবো ভালো মনের মতো
আদর দিও বাকি যত
বৃষ্টি হয়েই পড়বো ঝরে
মাতাল ঝড়ের সেই দুপুরে ।।

©দলছুট পাখি
@champa sarder

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...