Skip to main content

পার্থক্য - কলমে বাপ্পাদিত্য পাল

কবিতার নাম - পার্থক্য
কলমে- বাপ্পাদিত্য পাল
""""""""""""""""""""""""""""""""""
রঙচটা  ওই  স্কুল  বাড়িটা নীল  সাদাতে  চকচকে,
একতল গুলো দ্বিতল আজ ,মোড়া শুধুই কংক্রিটে।
সৌখিনতায় সাদামাটা সবুজও অনেক কমে গেছে ,
রং বেরঙের হাতেগোনা দু একটা ফুলের ঝাড়ি।
স্কুল নামক সুখ টা এখন বেশিরভাগটাই চাতুড়িময়,
অযাচিত উন্নতি হয়ত সুখের সত্য চেনাতেও অক্ষম ।
বারান্দা থেকে দুচোখ আর ধানের খেত চেনাই না ,
চোখ ধাঁধানো রঙিন গাড়ি রাস্তা জুড়ে, আর কাঁচে ঘেরা বাড়ি ।
টিফিনের ঘন্টা এখন খেলার মাঠে ডাকে না ,
এখন টিফিন মানেই মুঠোফোনে বন্দি আর খুঁজে বেড়াই প্রেম করার ফন্দি।
তখন মাথা বেয়ে আর সর্ষের তেল ঝরা , চোর পুলিশ,
 এখন লাল নীল চুল আর টিকটক বড্ড মানানসোয়ে ।
হম আজও মনে পরে জাতীয় সঙ্গীত- সারিবদ্ধ- নিশ্চুপ,
কিছুটা হলেও ধরণ টা বদলে গেছে , হম ভক্তির কথা বলছি।
আরে ভাই- বন্ধুদের সাথে সেই আড্ডা গুলো রাজুদার ঝালমুড়ি,
না এখন নেই জানি - আছে তো হোয়াটসআপ নম্বর , ফেসবুক আইডি।
শিক্ষক দের প্রতি শ্রদ্ধা , ভালোবাসা , ভক্তি  ,
হমম উবে যাচ্ছে আর পড়াশোনা সে তো গৃহশিক্ষক ই ভরসা সাথে ইউটিউব ।
খেলার মাঠে এখন সরঞ্জাম এর অভাব নেই,
অভাব তো ছাত্রছাত্রীর ।
তখন কার বন্ধুত্ব স্মৃতির পাতা গুলো বেশ ভরতে জানতো,
হয়ত এখন অনেকটাই আলাদা -একজন যাবে আরেকজন আসবে স্মৃতি বলতে গ্রুপ সেলফি ব্যাস এইটুকুই।
একটা টান ছিল -আত্মার টান , ভালোবাসা ছিল - নিস্বার্থ ভালোবাসা , শিক্ষা ছিল - শুধু প্রথাগত নয় চারিত্রিক ও মানসিক ।
এখন হয়ত পার্থক্য ।

Comments

Popular posts from this blog

বোকা দিবসের শুভেচ্ছা - Champa Sader

চালাকি করেই জীবন গেল চালাকি করেই চলছো বেশ চালাকি দিয়েই আগামী যাবে রোজনামচায় দশের দেশ। আমিই কেবল বোকার হদ্দ বোকামিতেই দিন কাটাই, স্বপ্ন দেখেই হাসছি কেবল তারা গুনে রাত ছাটাই। চালাকিটা থাক তোমাদের এদিক সেদিক কথার ভাঁজ, সময় বদল মুখোশ পরে সুযোগ বুঝে বদল সাজ। বোকার মতো হয়েছি খুশি বোকার মতো দিয়েছি তাল, কেন যেন আজও বুঝিনা কোনটা মেকি কোনটা জাল! চালাকি থাক রক্তে তোমার বিজয়ী হও জীবন খেলায়, বোকা হয়েই থাকবো আমি দেখা হবে ভবের মেলায়।

সমকাল কোলাজ ( তৃতীয় সংখ্যা )

  সম্পূর্ণ ম্যাগাজিনটি পড়তে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে -  সমকাল কোলাজ এপ্রিল সংখ্যা ২০২১

বিষয় - পুজোর প্রেম। গল্প - অল্প প্রেমের গল্প , কলমে - চম্পা সর্দার

জয়াদেবী ফোনটা হাতে নিয়ে উদাস হয়ে বসে ছিলেন বারান্দায়। মনে পড়ছিল- সাগর, ঝিনুক তখন কত ছোট... মা, এবার কিন্তু আমাকে পুজোতে একটা পুলিশের ড্রেস কিনে দেবে, আর একটা বন্দুক। দশ রিল ক্যাপ চাই আমার। রোজ রোদে দেবো, দেখবে কেমন ফাটে। নাড়ু বানানোর জন্য নারকেলে পাক দিতে দিতে জয়া বলে- সাগরের চাহিদা তো শুনলাম এবার তোর কি চাই ঝিনুক? আমার একটা গোলাপি রঙের ফেয়ারি ড্রেস। গোলাপি হেয়ারব্যান্ডও চাই, তিনটে ফুল লাগানো। তা তোমার কি চাই জয়া? বাজারের ব্যাগটা রান্না ঘরের এক কোণে নামিয়ে রাখেন সুব্রত বাবু। আরে, আরে তোমার কি কোনো দিন বুদ্ধি হবে না! একশো দিন বলেছি, বাজার করে ব্যাগ রান্না ঘরে ঢোকাবে না! চেঁচিয়ে ওঠে জয়া। দেখলি সাগর, দেখলি ঝিনুক তোদের মা কেমন সারাক্ষন আমায় বকতে থাকে। তোদের সাথে সাথে আমারও নিস্তার নেই তোদের মায়ের কাছ থেকে। সেবারের পুজোতে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে ছবি তোলা হয়েছিল স্টুডিওতে। একটা ছবিতে পুলিশের ড্রেস পরে সাগর আর পরীর মতো সাজে ঝিনুক। আর একটা ছবিতে জয়া, সুব্রতর সাথে সাগর, ঝিনুক। ফ্যামিলি ফটো। ফোন গ্যালারিতে ছবিগুলো দেখতে দেখতে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে ষাটোর্ধ্ব জয়ার। এলবাম থেকে ফোনে ছবি ত...